ফিরে যেতে চান

সচেতন নাগরিক কমিটি ও ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ

(TIB-টিআইবি) 

সচেতন নাগরিক কমিটি, রাজশাহী মহানগরী শাখার অফিস মহানগরীর মিয়াপাড়ায় পিএন গালর্স স্কুলের উত্তর পাশে একটা ভাড়া বাড়িতে শুরু হয়েছিল। ২০১৬ সালের আগস্টে কেন্দ্রটিকে  দেখা যায় কল্পনা থেকে তালাইমারী রোডে। 
সচেতন নাগরিক কমিটি মূলত ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠান। ৮ ডিসেম্বর ২০০৫ তারিখে টিআইবি রাজশাহী মহানগরী শাখার কর্মসূচি সংগঠক বরকতুল আহসান চৌধুরীর নিকট থেকে জানা যায়, ২৬ নভেম্বর ২০০৪ তারিখে সকাল ৯:১৫টায় লক্ষীপুরস্থ এডিডি অফিসে অভিষেক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে রাজশাহী মহানগরী, চাঁপাই নবাবগঞ্জ সদর ও নাটোর সদরের সচেতন নাগরিক কমিটি আনুষ্ঠানিকভাবে কার্যক্রম শুরু করে। টিআইবির নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান এবং ট্রাস্টি বোর্ডের সদস্য ও সাবেক চেয়রম্যান প্রফেসর খান সারওয়ার মুরশিদ এ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।
এর পূর্বে টিআইবির কর্মকর্তারা রাজশাহী মহানগরীতে টিআইবির উদ্দেশ্য ও লক্ষ্য বাস্তবায়নের উপযুক্ত পরিবেশ আছে কিনা, দু-মাস যাবৎ তা যাচাই-বাছাই করে এবং সচেতন নাগরিক কমিটি গঠনের জন্য ১৮জন ব্যক্তিকে মনোনীত করে। ২০০৪ সালের নভেম্বরের শুরুতে প্রাথমিকভাবে এ ১৮জন ব্যক্তির মধ্যে ৬ সদস্য বিশিষ্ট উপদেষ্টা কমিটি ও ১২ সদস্য বিশিষ্ট সচেতন নাগরিক কমিটি গঠন করা হয়। উপদেষ্টা কমিটির সদস্যবৃন্দ ছিলেন- প্রফেসর ড. হাসান আজিজুল হক, মোহাম্মদ আবুল হোসেন, অ্যাডভোকেট আব্দুর রাজ্জাক, প্রফেসর এম সাইদুর রহমান খান, প্রফেসর সনৎ কুমার সাহা ও মোহাম্মদ ইয়াহিয়া। সচেতন নাগরিক কমিটির আহবায়ক ছিলেন অ্যাডভোকেট গোলাম আরিফ টিপু এবং অন্যান্য সদস্য মোশাররফ হোসেন আখুঞ্জি, অ্যাড. হামিদুল হক, প্রফেসর ড. গোলাম কবির, রবীন্দ্রনাথ সরেন, সরিফুল ইসলাম বাবু, ড. সাবরিনা নাজ, সৈয়দ মুহাম্মদ আলী রেজা অপু, মাহমুদা নার্গিস, ড. মাহবুবা কানিজ কেয়া, প্রফেসর ড. চৌধুরী সারওয়ার জাহান ও আ ন ম ওয়াহিদ। কমিটির অভিষেক অনুষ্ঠানের পূর্বেই মিয়াপাড়ায় অফিস খোলা হয়।
এ অফিসে টিআইবি’র ষ্টাফ আছে। তারা সচেতন নাগরিক কমিটির সিদ্ধান্ত ও পরামর্শ অনুসারে কার্যক্রম বাস্তবায়ন করে। টিআইবি’র সহকারী কর্মসূচি সংগঠক মো. মহসিন প্রথমে এখানে কাজ শুরু করে ও ২০০৫ সালের জুলাই পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করে। তার স্থলাভিষিক্ত হন প্রোগ্রাম অফিসার মো. রফিকুল ইসলাম। তিনি ২০০৫ সালের আগষ্ট পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করে। ২১ আগস্ট ২০০৫ তারিখে কর্মসূচি সংগঠক বরকতুল আহসান চৌধুরী দায়িত্ব গ্রহণ করেন। ২০০৫ সালের মে মাসে সাপোর্টিং স্টাফ হিসেবে আরিফ হোসেন কলিনকে নিয়োগ দেয়া হয়।
তথ্য ও পরামর্শ কেন্দ্র: সচেতন নাগরিক কমিটি, রাজশাহী মহানগরী শাখার উদ্যোগে ২১ অক্টেবর ২০০৫ তারিখে তথ্য ও পরামর্শ কেন্দ্র খোলা হয়। কেন্দ্রটির উদ্বোধন করেন ভাষা সৈনিক অ্যাডভোকেট গোলাম আরিফ টিপু। এ তথ্য ও পরামর্শ কেন্দ্র থেকে পাসপোর্ট, কর, আইন, শিক্ষা, স্বাস্থ্যসহ সরকারি ও বেসরকারি বিভিন্ন সেবা বিষয়ে তথ্য ও পরামর্শ সাধারণ মানুষ গ্রহণ করতে পারে। কেন্দ্রটি স্থাপনে সহায়তা করেছে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ।২৩৪