ফিরে যেতে চান

রাজশাহী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ২৮
RDA-Rajshahi Development Authority

রাজশাহী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (আরডিএ) ভবন

রাজশাহী মহানগরীর উন্নয়নে আরডিএ এর ভূমিকা খুব গুরুত্বপূর্ণ। পূর্ত মন্ত্রণাুলয়ের অধীনে অর্ডিন্যান্স নং-৭৮ এর আওতায় ১৯৭৬ সালের ১৯ অক্টোবর স্বায়ত্তশাসিত সংস্থা হিসেবে রাজশাহী শহর উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ গঠিত হয়। পরে রাজশাহী উন্ন্য়ন কর্তৃপক্ষ নাম ধারণ করে। শুরু থেকেই এর অফিস ছিল কাজীহাটায়। অফিসটি বিমান বন্দর রোডে বড়বনগ্রামে বনলতা বাণিজ্যিক এলাকায় নিজস্ব ভবনে স্থানান্তরিত হয়েছে। গৃহায়ণ ও গণপূর্ত  মন্ত্রী মির্জা আব্বাস ২১ অক্টোবর ২০০৩ তারিখে ভবনটি উদ্বোধন করেন। ১৯৯৪ সালে এ ভবন নির্মাণে প্রস্তাব গৃহীত হয়ে ১৯৯৮ সালে ৭৫ কাঠা জমির উপর ১০তলা ভিত্তি বিশিষ্ট ৪তলা ভবনের কাজ শুরু হয় এবং ২০০২-২০০৩ অর্থ বছরে শেষ হয়। ব্যয় হয়  ৭ কোটি ৯০ লাখ টাকা। বিমান বন্দর রোডে স্থানান্তরিত হওয়ার পর কাজীহাটার পুরনো অফিসটিকে কুঞ্জবন নাম দিয়ে রেস্ট হাউজে রূপান্তর করা হয়েছে। 
সরকার কর্তৃক নিযুক্ত ১জন চেয়ারম্যান এবং ৮জন সরকারি ও ৩জন বেসরকারি সদস্য নিয়ে গঠিত বোর্ডের দ্বারা এর কার্যক্রম নিয়ন্ত্রিত হয়। ২০০২ সালের অক্টোবর মাসে আরডিএ এর প্রদানকৃত তথ্যানুসারে এর মোট জনবল সংখ্যা ৭৬জন। ৯ নভেম্বর ২০১৪ তারিখে প্রাপ্ত তথ্যানুসারে ১০৫জন ও আরো ১০৭জন চূড়ান্ত অনুমোদনের প্রক্রিয়ায় রয়েছে। বর্তমান চেয়ারম্যান মুক্তিযোদ্ধা বজলুর রহমান।
পরিকল্পিত উন্নয়নের লক্ষ্যে মহারিকল্পনা প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন, ইমারত নির্মাণ আইন বাস্তাবায়নে সুনিশ্চিতকরণ এবং মহাপরিকল্পনা অনুযায়ী ভূমি ব্যবহার নিয়ন্ত্রণ সুনিশ্চিত করায় আরডিএ এর প্রধান কাজ। এ লক্ষ্যে ১৯৭৮ সালে আরডিএ ১৭৭ বর্গ কি.মি. এলাকা নিয়ে মহাপরিকল্পনা প্রণয়নের কাজ শুরু করে এবং ১৯৮৪ সালে শেষ হয়। এ মহাপরিকল্পনা অনুযায়ী রাজশাহীতে বেশ কিছু উল্লেখযোগ্য প্রতিষ্ঠান নির্মিত হয়। ২০০০ সালে ২য় মহাপরিকল্পনা গ্রহণ করে কাজ শুরু হয় এবং শেষ হয় ২০০৪ সালে। ২য় মহাপরিকল্পনার আয়তন ৩৬৪.১৯ বর্গ কিলোমিটার। বর্তমানে এ মহাপরিকল্পনা সংশোধনের কাজ চলছে এবং শেষ হবে ২০১৬ সালে।২৭৩