ফিরে যেতে চান

আঞ্চলিক নিয়ন্ত্রকের অফিস ও জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক অফিস রাজশাহী কোর্টের পাশে রাজপাড়াই রাজশাহী-চাঁপাইনবাবগঞ্জ রোডের উত্তর পাশে অবস্থিত। ১৯৪২ সালে রাজশাহীতে সিভিল সাপ্লাই অফিসে স্থাপন করা হয়। তখন তথ্য বিভাগ এ অফিসের অধীন ছিল। ১৯৪৫ সালের খাদ্য নিয়ন্ত্রকের অফিস স্থাপন করা হয়।২ এ অফিসের নিয়ন্ত্রণাধীনে রয়েছে রাজশাহী বিভাগের সকল  জেলা অফিস। পূর্বে এর প্রশাসনিক এরিয়া ছিল ১৬ জেলা। রংপুর বিভাগ স্থাপনের পর ২০১১ সালে প্রশাসনিক এরিয়া রাজশাহী বিভাগের ৮ জেলাই সীমাবদ্ধ হয়ে পড়ে।৪৩৩ এর প্রধান হলেন আঞ্চলিক খাদ্য নিয়ন্ত্রক। ২০০২ সালের ১৯ নভেম্বর আঞ্চলিক খাদ্যা নিয়সন্ত্রকের তথ্যানুসারে ১৯৬৯ সালে এ পদের সৃষ্টি হয়। ৫৮,২০,০৬৪.৪১ টাকা ব্যয়ে জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রকের অফিস চত্বরেই আঞ্চলিক খাদ্য নিয়ন্ত্রক অফিস ও বিভাগের অফিস ভবন নির্মাণ হয়েছে ।
জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রকের বিভিন্ন সময় বিভিন্ন জায়গায় স্থানান্তর হয়। ১৯৬০ সালের পূর্বে এটা বড় কুঠির পাশে ছিল। তারপর বিভিন্ন সময়ে বোয়ালিয় থানার পাশে, লক্ষ্মীপুরে এবং দেশ স্বাধীনের পর বর্তমান স্থানে স্থানান্তরিত হয়। এর প্রধান হলেন জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক।
১৯৭৫ সালের ১২ ডিসেম্বর সরকারি আদেশ নং-খ-ম-৩/৩-এস-১৭/১৯৭৫-৮২৫ মোতাবেক (১) সংগ্রহ এবং (২) সরবরাহ, বণ্টন ও রেশনিং নামে ২টি পরিদপ্তর সৃষ্টি হয়। এটা খাদ্য বিভাগের অধীনে। এক সময় বৃহত্তর রাজশাহী জেলায় ২১টি স্থানীয় সরবরাহ ডিপো ও ৭৫টি খাদ্য গুদাম ছিল।২ বর্তমানে এ বিভাগের অধীনে প্রতিটি জেলায় খাদ্য গুদাম আছে। এগুলোকে সেন্ট্রাল স্টোরেজ ডিপো ও লোকাল স্টোরেজ ডিপো বলা হয়ে থাকে। সেন্ট্রাল স্টোরেজ ডিপোর সংখ্যা ২টি ও লোকাল স্টোরেজ ডিপোর সংখ্যা ৯৩ টি। ঈশ্বরদির মুলাডুলি ও শান্তাহারে আছে একটি করে সেন্ট্রাল স্টোরেজ ডিপো। লোকাল স্টোরেজ ডিপো রাজশাহী জেলায় আছে ১২টি, চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলায় ৭টি, নওগাঁ জেলায় ১৮টি, নাটোর জেলায় ৬টি, পাবনা জেলায় ১০ টি, সিরাজগঞ্জ জেলায় ৯টি, বগুড়া জেলায় ২৪টি (১টি গমের) ও জয়পুরহাট জেলায় ৭টি।