ফিরে যেতে চান

যুব উন্নয়ন মন্ত্রণালয়ের সূচনা হয়েছিল ১৯৭৮ সালে। বর্তমানে যা যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়। এ মন্ত্রণালয়ের মাঠ পর্যায়ের কাজ বাস্তবায়নের লক্ষ্যে ১৯৮১ সালে যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর গঠিত হয়।৪৮২ 
যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের উপ পরিচালকের কার্যালয় ষষ্ঠীতলাই। ভাড়াবাড়িতে কার্যক্রম পরিচালনা করার কারণে অফিসটি বিভিন্ন সময় বিভিন্ন জায়গায় স্থানান্তরের পর বর্তমান স্থানে অবস্থান করছে। ১৯৮১ সালের ২৭ মে মো. হাবিবুল্লাহ বাহার গোলন্দাজ উপ-পরিচালক পদে যোগদানের মাধ্যমে এ অফিসের যাত্রা শুরু হয়। অফিসের সর্ব প্রথম কার্যক্রম শুরু হয়েছিল সাগরপাড়ার একটি বাড়িতে। সেখান থেকে পর্যায়ক্রমে স্থানান্তরিত হয় বোসপাড়া, সাগরপাড়া, বর্ণালীর মোড়, দড়িখরবোনা এবং ১৯৯৫ সালের ২৪ ডিসেম্বর আসে ষষ্ঠীতলাই। 
উপ পরিচালকের প্রশাসনিক এরিয়া রাজশাহী জেলা। তাঁকে সহায়তা করেন ২জন সহকারী পরিচালক, ১জন উচ্চমান সহকারী, ১জন ডাটা এন্ট্রি অপারেটর, ১জন ড্রাইভার, ২জন অফিস সহায়ক, ১জন নিরাপত্তা প্রহরী কাম ফরাস। অধিদপ্তরের কাজ মানব সম্পদের উন্নয়ন ও কর্মসংস্থানে সহায়তা প্রদান। এ লক্ষ্যে উপ পরিচালকের নিয়ন্ত্রণে একই ভবনে প্রতিবন্ধী, দুঃস্থ, নেশাগ্রস্ত, দরিদ্র ও বেকার যুব এবং যুব মহিলাদের বিভিন্ন ট্রেডে প্রশিক্ষণ প্রদান করা হয়। এখানে আছে পোশাক তৈরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র, মৎস্য চাষ প্রশিক্ষণ কেন্দ্র, মডার্ন অফিস ম্যানেজমেন্ট এন্ড কম্পিউটার অ্যাপ্লিকেশন প্রশিক্ষণ কেন্দ্র, ব্লক বাটিক ও স্ক্রীন প্রিন্টিং প্রশিক্ষণ কেন্দ্র। এছাড়াও আছে প্রকল্প ভিত্তিক ৫টি ট্রেড। যেমন- কম্পিউটার (বেসিক), কম্পিউটার (গ্রাফিক্স), ইলেকট্রোনিক্স, রেফ্রিজারেশন এন্ড এয়ার কন্ডিশনিং, ইলেকট্রিক্যাল এন্ড হাউজ ওয়ারিং।  
উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তার কার্যালয় (বোয়ালিয়া থানা ইউনিট) উপশহরে অবস্থিত। পূর্বে অফিসটি উপ-পরিচালক অফিস ভবনে ষষ্ঠীতলাতেই ছিল। ষষ্ঠীতলা থেকে নিউ মার্কেটের পূর্ব পাশে এবং সেখান থেকে উপশহরে যায়। উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তাসহ এ অফিসের জনবল ৫ জন।
উপ পরিচালকের নিয়ন্ত্রণে গোদাগাড়ী উপজেলার রাজাবাড়ি হাটে আঞ্চলিক মানব সম্পদ উন্নয়ন কেন্দ্র আছে। সেখানে স্টাফ ও এ অধিদপ্তরের সুবিধাভোগীদের প্রশিক্ষণ দেয়া হয়। কেন্দ্রটি তত্ত্বাবধান করেন একজন সহকারী পরিচালক। এ কেন্দ্রটি থানা সম্পদ উন্নয়ন ও কর্মসংস্থান প্রকল্পের (৩য় পর্যায়) আওতায় স্থাপন হয়েছিল ১৯৯২ সালে। তৎকালীন রাজশাহী বিভাগের ১৬টি জেলার মধ্যে কয়েকটি জেলাই এ প্রকল্পের কাজ বাস্তবায়ন হতো। গত শতাব্দীর শেষের দিকেই প্রকল্পের কাজ শেষ হয়ে গেলে কেন্দ্রটি বর্তমান নামে স্থায়িত্ব হয়।৪৫১