অধ্যায় ৯ : শিক্ষা

নারী শিক্ষার পৃথক প্রতিষ্ঠান


আধুনিক শিক্ষা উন্নয়নের লক্ষ্যে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গড়ে উঠলেও নারী শিক্ষার ব্যাপারে সেই সময় জনসাধারণের তেমন আগ্রহ লক্ষ্য করা যায় না। তাই নারী শিক্ষার প্রসারকল্পে জেলা স্কুল কমিটি প্রাইজ ও অন্যান্য বিষয়ের মাধ্যমে উৎসাহিত করার প্রচেষ্টা চালায়। এর ফলে ক্রমশ ছাত্রীদের সংখ্যা বৃদ্ধি পেতে আরম্ভ করে। এর জন্য পৃথক বালিকা বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা লাভ করে। ১৮৭৩ সালে প্রকাশিত কলকাতা রিভিউ এর মতে, ১৮৬৮ সালে রামপুর-বোয়ালিয়ায় একটি বালিকা বিদ্যালয় ছিল।৭৫ তবে মি. হান্টারের অ্যাকাউন্টে দুটি বালিকা বিদ্যালয়ের উল্লেখ আছে। একটি খ্রিস্টান মিশন দ্বারা পরিচালিত এবং অপরটি সরকারি সহযোগিতা প্রাপ্ত। অবশ্য পরবর্তীতে বিদ্যালয় দুটির অবস্থান পরিষ্কারভাবে পাওয়া যায় না। তবে এটা প্রমাণ মিলে বর্তমান হেতমখাঁ বড় মসজিদের পিছনে (পশ্চিমে) মরহুম কাইসার ডাক্তারের দোতলা বাড়িটি ছিল তৎকালীন মিশন বালিকা বিদ্যালয়। কারণ রাজশাহী কোর্টের পাশে অবস্থিত রাজশাহী মিশন উচ্চ বালিকা বিদ্যালয় সেই সময় ছোট আকারে ছিল ও প্রসিদ্ধি লাভ করেনি। তবে হেতমখাঁয় বিলুপ্ত স্কুলটির পূর্বেই কোর্টের পাশের মিশন হাউসের স্কুলটি নির্মাণ হয়েছিল। হান্টারের একাউন্টে অপর বিদ্যালয়টি পিএন বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় রাজশাহীর আধুনিক নারী শিক্ষার সর্ব প্রথম প্রতিষ্ঠান বর্তমান রাজশাহী মিশন বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় না পিএন বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় এ নিয়ে প্রশ্ন আছে। সঠিক তথ্য নির্ধারণের জন্য আরো অনুসন্ধান গবেষণা প্রয়োজন। 


রাজশাহীর কথা

আনারুল হক আনা

তৃতীয় সংস্করণ, এপ্রিল 2018

প্রকাশনা : DesktopIT


www.desktopit.com.bd